গাজায় ৭ অক্টোবরের হামলা ও সেখানে ইসরাইলের ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পর অনুষ্ঠিত প্রথম নির্বাচনে কোনো পক্ষই স্পষ্ট বিজয়ী হতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ডানপন্থি ও কট্টর ডানপন্থি জোট পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে পিছিয়ে রয়েছে। সাবেক সামরিক প্রধান গাদি আইজেনকটের নেতৃত্বাধীন প্রধান বিরোধী জোটও এককভাবে সরকার গঠনের মতো পর্যাপ্ত আসন পায়নি। মঙ্গলবারের নির্বাচনে রেকর্ডসংখ্যক ভোটার অংশ নেন।
ইসরাইলের ফিলিস্তিনি নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী আরব দলগুলো নির্বাচনে নজিরবিহীন সাফল্য পেয়েছে। ফলে সরকার গঠনের হিসাব-নিকাশে তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। নেতানিয়াহুর জোট এবং বিরোধী শিবির—কেউই নিজস্ব শক্তিতে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।
নেতানিয়াহু বরাবরই আরব নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটগুলোর সঙ্গে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছেন। তাকে ক্ষমতা থেকে সরাতে বিরোধীরা আরব দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবে কি না, তা অনিশ্চিত। গাজা ও অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সামরিক হামলা অব্যাহত থাকায় এমন রাজনৈতিক সহযোগিতা প্রতিষ্ঠা আরও কঠিন হতে পারে। সরকার গঠনে দলগুলোকে জোট ও সমঝোতার পথ খুঁজতে হবে।
ইসরাইলের নির্বাচনে নেতানিয়াহু ও বিরোধী শিবির কেউই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।