মানবাধিকার আইনজীবী ও বিচারক নাভি পিল্লাই ২০১৩ সালের ৬ নভেম্বরের এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলের দুটি বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ জানান। জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করা পিল্লাই ১৯৭১ সালের অপরাধের বিচার এবং ঢাকার পিলখানায় ২০০৯ সালের বিডিআর বিদ্রোহ-পরবর্তী মামলার প্রসঙ্গ তোলেন।
পিল্লাই বলেন, ১৯৭১ সালের নৃশংসতার দায়মুক্তি মোকাবিলা ও ভুক্তভোগীদের প্রতিকার দিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে বিচারপ্রক্রিয়ায় আইনের শাসন, ন্যায়বিচার এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সর্বোচ্চ পর্যায় বজায় রাখা জরুরি। বিচারপ্রক্রিয়ার ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন থাকায় তিনি ট্রাইব্যুনালের মামলাগুলোতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করার আহ্বান জানান।
বিডিআর মামলায় ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর তিনি গণবিচারের সমালোচনা করেন। হেফাজতে নির্যাতন ও মৃত্যুর অভিযোগের স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত, ফল প্রকাশ এবং দায়ীদের জবাবদিহির দাবি জানান তিনি। নির্যাতনের মাধ্যমে পাওয়া প্রমাণ ব্যবহার না করা এবং প্রত্যেক অভিযুক্তের দোষী সাব্যস্ত হওয়া ও দণ্ড পৃথকভাবে পর্যালোচনার কথাও বলেন।
বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধ ও বিডিআর বিচারপ্রক্রিয়ায় ন্যায্যতার দাবি জানিয়েছিলেন পিল্লাই
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।