২০২৬ সালের ২৮ এপ্রিল প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটে রংপুর অঞ্চলের জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। লোডশেডিং বেড়ে যাওয়ায় শিল্প উৎপাদন ব্যাহত, কৃষিতে সেচ বন্ধের উপক্রম, পরিবহন খাত অচল এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কৃষিনির্ভর উত্তরাঞ্চলে সেচ পাম্প চালাতে না পারায় ধান ও অন্যান্য ফসলের ফলন হুমকির মুখে পড়েছে।
নীলফামারী, গাইবান্ধা, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, লালমনিরহাট ও রংপুরের শিল্পাঞ্চলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় উদ্যোক্তা ও শ্রমিকরা অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছেন। হিমাগার মালিকেরা পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ায় আলু ও সবজি পচে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন। অটোরিকশা ও চার্জার ভ্যানচালকেরা বিদ্যুৎ না থাকায় আয় হারাচ্ছেন। তেলের পাম্পে দীর্ঘ লাইন ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে।
বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জ্বালানি তেলের সংকটে অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা দ্রুত বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজে সমাধান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, নইলে পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা রয়েছে।
রংপুরে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটে কৃষি, শিল্প ও পরিবহন খাতে বিপর্যয়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।