দেশজুড়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধির মধ্যে মেডিসিন ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জ্বর হলে নিজে থেকে অ্যান্টিবায়োটিক না খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। ২৫ জুলাই প্রকাশিত প্রতিবেদনে তারা বলেন, সাধারণ জ্বরে শুধু প্যারাসিটামলজাতীয় ওষুধ সেবন করা উচিত। জ্বরের সঙ্গে মাথাব্যথা, সারা শরীর ও গিরায় ব্যথা এবং গায়ে রেশ দেখা দিলে তা ডেঙ্গুর লক্ষণ হতে পারে; এ অবস্থায় অ্যাসপিরিনজাতীয় ওষুধও এড়িয়ে চলতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ৫৯টি ওয়ার্ডকে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। ২৩ জুলাই পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে ৩৯ জনের মৃত্যু এবং ১২ হাজার ২০ জন আক্রান্ত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। এ সময়ে ১০ হাজার ৯১১ জন রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা লক্ষণ দেখা দিলেই পরীক্ষা করানো ও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন।
চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ওষুধ না কেনার আহ্বান জানানো হয়েছে। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, জমে থাকা পরিষ্কার পানি অপসারণ এবং মশার কামড় থেকে সুরক্ষাকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের কার্যকর উপায় বলা হয়েছে। আইইডিসিআর জানিয়েছে, ডেনভ-৩ সেরোটাইপে দ্রুত ডেঙ্গু শক সিনড্রোমের মতো জটিলতা বাড়তে পারে।
ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত পরীক্ষা ও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।