বাংলাদেশ ব্যাংক এক হাজার কোটি টাকা বা তার বেশি ঋণস্থিতি থাকা প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপকে ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্টে খেলাপি ঋণ নিয়মিত করার সুযোগ দিয়েছে। ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ সোমবার এ-সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে। নতুন নির্দেশনায় ঋণ পুনঃতফসিলের সর্বোচ্চ মেয়াদ আগের ১০ বছর থেকে বাড়িয়ে ১৫ বছর করা হয়েছে এবং কিস্তি পরিশোধে শুরুতে দুই বছর পর্যন্ত গ্রেস পিরিয়ডের সুবিধা রাখা হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতা ও আর্থিক ব্যবস্থা পুনর্গঠনে বিশেষ নীতি সহায়তার জন্য আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে আবেদন করা যাবে। ওই তারিখ পর্যন্ত খেলাপি হওয়া ঋণই সুবিধার আওতায় আসবে। ব্যাংকগুলোকে ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে সব আবেদন নিষ্পত্তি করতে হবে। বিশেষ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান নির্ধারিত মেয়াদের বাইরে সর্বোচ্চ চার বছর সময় বাড়ানো যাবে।
আগে বিশেষ নীতি সহায়তা পাওয়া ঋণগ্রহীতারাও নতুন সুবিধা পাবেন, তবে ইতোমধ্যে পার হওয়া গ্রেস পিরিয়ড নতুন সময়ের অংশ হিসেবে গণ্য হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি, জ্বালানি সংকট, বাজারভিত্তিক সুদহারে বাড়তি ব্যয় এবং রপ্তানিমুখী শিল্পের সাময়িক ক্ষতির কারণে ঋণ পরিশোধ সক্ষমতা কমেছে। খেলাপি ঋণ কমানোর ১৮ মাসের রোডম্যাপের আওতায় ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ নীতিগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
বড় ঋণখেলাপিদের জন্য ১৫ বছর মেয়াদে ঋণ পুনঃতফসিলের সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।