উন্নত জীবনের আশায় লিবিয়ায় যাওয়া যশোরের শার্শা উপজেলার পাঁচ যুবককে জোরপূর্বক শ্রমে বাধ্য করা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। তারা হলেন আনোয়ার হোসেন, ইয়াসিন আরাফাত, রিহান আলী, শাহিন আলম ও রানা হোসেন। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুনের পর থেকে পরিবারের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ বন্ধ। আনোয়ারের বাবা মোশিয়ার রহমান যশোরের মানব পাচার ও অভিবাসী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এ মামলা করেছেন।
মামলায় স্থানীয় মফিজুর রহমান, তাঁর স্ত্রী মমতাজ বেগম, মেয়ে রুমা খাতুন, ছেলে সোহাগ ও সোহাগের স্ত্রী পিয়া খাতুনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ভালো চাকরি ও মাসে প্রায় ৭০ হাজার টাকা বেতনের আশ্বাস দিয়ে প্রত্যেকের কাছ থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা নেওয়া হয়। আনোয়ারকে ২০২২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি টাকা নেওয়ার পর ২৫ মার্চ ঢাকা বিমানবন্দর দিয়ে লিবিয়ায় পাঠানো হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, সোহাগ লিবিয়ায় যুবকদের বিমানবন্দর থেকে গ্রহণ করে প্রথমে আল ছিদ্রা এলাকার জিপসাম খনিতে কাজে লাগান। পরে তাদের বেনগাজির পূর্বের আল রাজমা এলাকার একটি খনিতে নেওয়া হয় এবং কাজ না করলে মাফিয়া চক্রের লোকজন দিয়ে মারধর করানো হয়। শার্শা থানার পুলিশ বলেছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং নিখোঁজ যুবকদের অবস্থান ও জড়িতদের শনাক্তে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লিবিয়ার জিপসাম খনিতে পাঁচ যুবককে জোরপূর্বক শ্রম ও নির্যাতনের অভিযোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।