জনস্বাস্থ্যবিদ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বিগ্ন না হয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। ১ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে তারা এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ, মশার কামড় থেকে সুরক্ষা এবং জ্বর হলে ঘরে না থেকে চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার ওপর জোর দেন। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৮ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ৪৭ জন মারা গেছেন এবং হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৪ হাজার ১৫৬ জন। এ সময়ে ১৭ হাজার ৯ জন সুস্থ হয়েছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোনো ভ্যাকসিন বা সুনির্দিষ্ট কার্যকর ওষুধ নেই; তাই জনসচেতনতা এবং নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। বাড়ির ভেতর-বাইরে, ছাদে ও বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি এডিস মশার উৎপত্তিস্থল হতে পারে। ফুলের টব, ড্রাম, বালতি, এয়ার কন্ডিশনার ও রেফ্রিজারেটরের নিচের পাত্রে পাঁচ দিনের বেশি পানি না রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ড. মুশতাক হোসেন বলেন, প্রতিরোধের লড়াই বাড়ি, বিদ্যালয়, কর্মস্থল ও স্থানীয় জনসমাজ থেকে শুরু করতে হবে। ডা. হাসান হাফিজুর রহমান জানান, জ্বর ১০২ থেকে ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত উঠতে পারে এবং পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জ্বর হলে পানি, ফলের রস, স্যুপ, ওরস্যালাইন, ডাবের পানি ও শরবত গ্রহণের কথা বলেন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার বংশবিস্তার ঠেকাতে জনসচেতনতা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পরামর্শ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।