আগামী অর্থবছরে সরকারের রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ছয় লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) আদায় করতে হবে ছয় লাখ চার হাজার কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের তুলনায় এটি ২১ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি। তবে অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে এনবিআর এক লাখ কোটি টাকারও বেশি ঘাটতির মুখে পড়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বিগত এক দশকের মতো এবারও রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জন কঠিন হবে।
এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, ভ্যাট, আয়কর ও ভ্রমণ কর থেকে দুই লাখ ২৩ হাজার ৪৮০ কোটি টাকা এবং আমদানি-রপ্তানি শুল্ক থেকে দুই লাখ ৫৭ হাজার ৪০ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পলিসি এক্সচেঞ্জ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম মাসরুর রিয়াজ এই লক্ষ্যকে অবাস্তব বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি দুর্বল প্রবৃদ্ধি, কর ছাড়ের সংস্কৃতি ও কর কাঠামোর দুর্বলতাকে প্রধান বাধা হিসেবে উল্লেখ করেন। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী রাজস্ব ঘাটতির কারণ হিসেবে অর্থনৈতিক স্থবিরতা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও উচ্চ মূল্যস্ফীতিকে দায়ী করেছেন।
সরকার কর-জিডিপি অনুপাত ২০৩৫ সালের মধ্যে ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে। এনবিআর করফাঁকি রোধে ডিজিটালাইজেশন ও মনিটরিং জোরদার করছে এবং বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় একটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
বড় ঘাটতির মধ্যেও এনবিআরের রাজস্ব লক্ষ্য ছয় লাখ চার হাজার কোটি টাকা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।