জাতীয় সংসদে গতকাল মঙ্গলবার ২০২৬–২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর উপস্থাপিত নির্দিষ্টকরণ বিল–২০২৬ পাসের মধ্য দিয়ে বাজেট অনুমোদনের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে আজ ১ জুলাই থেকে বাজেট কার্যকর হয়েছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে ৫৯টি মন্ত্রণালয়ের ব্যয় প্রস্তাব কণ্ঠভোটে অনুমোদন পায়।
‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ শীর্ষক এই বাজেট দেশের ৫৫তম এবং অর্থমন্ত্রীর প্রথম বাজেট। এটি আগের বছরের তুলনায় ১৮.৭৩ শতাংশ বড় এবং এতে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনা ও জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৫ শতাংশে রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজেটে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি ধরা হয়েছে, যা দেশীয় ও বৈদেশিক ঋণ থেকে পূরণ করা হবে। রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আকার ৩ লাখ কোটি টাকা।
বিরোধী দলীয় সদস্যরা ১,৩৪৩টি ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করে প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানোর দাবি জানান। সরকার ৬৪টি সংশোধনী যুক্ত করে বাজেট পাস করে, যার মধ্যে করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি ও ভ্যাট কাঠামো সংশোধন অন্তর্ভুক্ত।
বাংলাদেশে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস, ১ জুলাই থেকে কার্যকর
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।