২০২৫ সালে ডাকসু আয়োজিত এক স্মরণসভায় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদি শহীদ আবরার ফাহাদকে কোনো রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে সীমাবদ্ধ না রেখে বাংলাদেশের জাতীয় বীর হিসেবে স্মরণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আবরারের আত্মত্যাগের চেতনা দল-মতের ঊর্ধ্বে তুলে ধরে আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নতুন প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে।
হাদি বলেন, ২০১৯ সালে আবরার হত্যার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গায়েবানা জানাজা ও পরবর্তী মিছিলে ওঠা স্লোগান বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত ছিল। ভারতীয় দূতাবাসসহ বিভিন্ন মহলের নজরদারি ও চাপের মধ্যেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েটের শিক্ষার্থীরা এসব স্লোগান দিয়েছিলেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে আবরারের কবর জিয়ারতের পর পরিবারের সঙ্গে দেখা করার সময় তার মায়ের গভীর মানসিক ট্রমার বিষয়টি উপলব্ধি করেন বলেও জানান তিনি।
হাদির ভাষ্যে, নিহত ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক, তার হত্যার প্রতিবাদ ও ন্যায়বিচারের দাবি জানাতে হবে। তিনি বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের নাম শহীদ আবরার ফাহাদ এভিনিউ করার স্বীকৃত দাবির কথাও বলেন এবং সংক্ষেপে আবরার এভিনিউ নামটি প্রচারের আহ্বান জানান। কয়েক মাস পর ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর পল্টনে গুলিবিদ্ধ হন হাদি; সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাতে তিনি মারা যান।
আবরার ফাহাদকে দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে জাতীয় বীর হিসেবে স্মরণের আহ্বান জানান ওসমান হাদি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।