পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ২০২৬ সালের ৯ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া ১৫ দিনের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ ২২ এপ্রিল শেষ হয়েছে। পাকিস্তান ও মিসরের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়ে কোনো সমঝোতা হয়নি। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং লেবাননে ইসরাইলি হামলা বন্ধের মতো ইস্যুতে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। ইরান অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র নৌ-অবরোধ বজায় রেখে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইরান প্রণালি বন্ধ করে ওয়াশিংটনকে ব্ল্যাকমেইল করতে চাইছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। সেখানে বিমানবাহী রণতরী, আর্টিলারি ব্রিগেড ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতিকে সামরিক শক্তি পুনর্গঠনের সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করছে, কারণ আগের সংঘাতে তারা লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে। অন্যদিকে, ইরান রাশিয়া ও চীনের সহায়তায় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা পুনর্গঠনে কাজ করছে।
পর্যবেক্ষকদের ধারণা, এই স্বল্পমেয়াদি যুদ্ধবিরতি উভয় পক্ষের জন্য কৌশলগত বিরতি হিসেবে কাজ করছে, যা ব্যর্থ হলে নতুন সংঘাতের আশঙ্কা বাড়তে পারে।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি শেষে উপসাগরে সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।