বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালীন ও ভোট শেষ হওয়ার আগেই ফেসবুকে সিল মারা ব্যালট পেপারের অসংখ্য ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। ব্যক্তিগত প্রোফাইল ও পেজ থেকে এসব ছবি পোস্ট করা হয়, যেখানে ভোটারদের গোপন কক্ষে নিজেদের পছন্দের প্রতীকে সিল দেওয়ার দৃশ্য দেখা যায়। কিছু পোস্টে রাজনৈতিক সমর্থনের বক্তব্যও ছিল, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
এই ছবিগুলো ঘিরে ভোট জালিয়াতি, ব্যালট ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম এবং ভোটকেন্দ্রে নজরদারির ঘাটতি আছে কি না তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচনি আইন অনুযায়ী ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা বাধ্যতামূলক, এবং নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন নিষিদ্ধ। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে ভোটাররা মোবাইল নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করে গোপন কক্ষে ছবি তুলতে পারলেন।
নীলফামারী-১ আসনের ৬৬ নম্বর কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার আবু রায়হান সোহেল বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই, তবে তারা মোবাইল প্রবেশ রোধে সতর্ক ছিলেন। তিনি জানান, সুষ্ঠু ভোটের পাশাপাশি তল্লাশি চালানো সম্ভব নয় বলে এমন ঘটনা কীভাবে ঘটেছে তা তারা বুঝতে পারছেন না।
ত্রয়োদশ নির্বাচনে ফেসবুকে ব্যালটের ছবি ছড়িয়ে ভোটের গোপনীয়তা নিয়ে বিতর্ক
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।