চলতি মাসের শুরুতে ভারতের রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের একটি ই-মেইলে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিক স্বাগত জানানোর মহড়ার জন্য সপ্তাহের শেষের দিকের ‘চেঞ্জ অব গার্ড’ অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে। সফরের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না থাকতেই ই-মেইলটি প্রকাশ পায় এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তা প্রত্যাহার করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এএএম সালেহ বিবিসিকে বলেছেন, সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বড় জয়ের পর তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হন এবং ভারত তাকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানায়। ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, তিনি ভারত সফরে গেলে ‘সর্বোচ্চ সম্মান’ ও ‘স্মরণীয় অভ্যর্থনা’ পাবেন। দিল্লি নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্গঠনের সুযোগ দেখছে, তবে ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থান বড় জটিলতা হয়ে আছে।
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে প্রাণঘাতী গুলি ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে, যদিও তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বাংলাদেশ তার প্রত্যর্পণ চেয়েছে এবং ভারত বলেছে, অনুরোধটি বিবেচনা করছে। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি ভারতের ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশ বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত; তারেক রহমানের দিল্লি সফর হলে তা সম্পর্ক পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হতে পারে।
হাসিনা ইস্যুর জটিলতার মধ্যেও তারেক রহমানের দিল্লি সফরে আগ্রহী ভারত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।