বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এই সিদ্ধান্তকে জনগণের ওপর অতিরিক্ত বোঝা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন, অন্যদিকে জ্বালানি ও বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল মাহমুদ টুকু বলেছেন, বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্বিগুণ হওয়া এবং যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির কারণে সরকার বাধ্য হয়ে দাম বাড়িয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করায় বৈশ্বিক সরবরাহের ২০ শতাংশ ব্যাহত হয়েছে, যা ১৯৭৩ সালের তেল সংকটের চেয়েও তীব্র।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশে প্রায় ৪০ বার তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে এবং তিনবার কমানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক এনার্জি এজেন্সি (আইইএ) ও আইএমএফ-এর তথ্যে দেখা যায়, বাংলাদেশ এখনো সরাসরি ভর্তুকি প্রদানকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় আইইএ সদস্য দেশগুলো ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যদিও বিশেষজ্ঞরা একে অপর্যাপ্ত বলেছেন।
লেখক মনে করেন, বর্তমান সংকট শুধু তেলের নয়, বরং সরকার, বিরোধী দল ও জনগণের মধ্যে আস্থার সংকট আরও গভীর হয়েছে। তিনি ঐক্যবদ্ধ জাতীয় জ্বালানি টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।
তেলের দাম বৃদ্ধি ও আস্থার সংকটে অস্থির বাংলাদেশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।