সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার পর তাঁদের ফেসবুক ও জিমেইল অ্যাকাউন্টে কারা প্রবেশ করেছিলেন, সেই তথ্য চেয়ে জিমেইল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। প্রসিকিউটর তানভীর হাসান জোহা বুধবার আমার দেশকে বলেন, ডার্ক ওয়েবের ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স বিশ্লেষণে হত্যার পর ১৫ দিন অ্যাকাউন্টগুলো সক্রিয় থাকার এবং দেড় মাস পর আরেকটি লগইনের তথ্য পাওয়া গেছে।
জোহা বলেন, জিমেইল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আদালতের আদেশ ছাড়া তারা তথ্য দিতে পারবে না। এ জন্য মামলাটি আদালতে চলবে কি না, সে বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে লগইনকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে বলে তাঁর ধারণা, তবে জিমেইলের তথ্য পেলে তা প্রামাণ্য হবে।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় সাগর-রুনি নিহত হন। ২০২৪ সালের অক্টোবরে হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত চার সদস্যের টাস্কফোর্স এখন তদন্ত করছে। নির্ধারিত সময়ে তদন্ত শেষ না হওয়ায় সর্বশেষ ২০২৬ সালের ২৬ এপ্রিল টাস্কফোর্সকে আরও ছয় মাস সময় দেয় হাইকোর্ট। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ মোট ১৩০ বার পিছিয়েছে।
সাগর-রুনির অ্যাকাউন্টে হত্যার পর প্রবেশকারীর তথ্য চেয়ে জিমেইলকে চিঠি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।