সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরানোর আশায় মালয়েশিয়ায় যাওয়া বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ফারাজীপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম (৪৫) সেখানে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। শুক্রবার সকাল নয়টার দিকে খামারকান্দি ইউনিয়নে তাঁর গ্রামের বাড়িতে মরদেহ পৌঁছালে স্বজন ও স্থানীয়দের মধ্যে শোক নেমে আসে। মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে রফিকুলের স্ত্রী স্বপ্না খাতুন, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছেন।
পরিবারের অভিযোগ, একই গ্রামের নাসিমা খাতুন, তাঁর স্বামী সাইফুল ইসলাম, মেয়ে সোনিয়া আক্তার ও মেয়ের জামাই মুসা ভালো চাকরির আশ্বাস দিয়ে রফিকুলকে মালয়েশিয়ায় পাঠান। তাঁদের কথায় জমি বিক্রি ও চড়া সুদে ঋণ করে তিনি বিদেশ যাওয়ার অর্থ জোগাড় করেন। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তাঁকে ওয়ার্ক পারমিট বা আকামার বদলে তিন মাসের ট্যুরিস্ট ভিসায় পাঠানো হয়েছে।
ভিসার মেয়াদ শেষ হলে রফিকুল অবৈধ অবস্থায় পড়ে যান এবং পুলিশের ভয়ে আত্মগোপনে থাকতেন বলে স্বজনরা জানান। চাকরি দেওয়ার আশ্বাসে পরিবারের কাছ থেকে আরও ১ লাখ ২০ হাজার টাকা নেওয়া, পাসপোর্ট ও কাগজপত্র আটকে রাখা এবং শারীরিক-মানসিক নির্যাতনের অভিযোগও করেছেন তারা। অভিযুক্তরা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেননি। শেরপুর থানার ওসি এস এম মঈনুদ্দীন বলেছেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ট্যুরিস্ট ভিসা ও নির্যাতনের অভিযোগের পর মালয়েশিয়ায় বগুড়ার রফিকুলের মৃত্যু
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।