মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবার ইরানে সামরিক হামলার হুমকি দেওয়ায় উপসাগরীয় দেশগুলোর উদ্বেগ বেড়েছে। সপ্তাহান্তে বাহরাইনে অনুষ্ঠিত বার্ষিক মানামা ডায়ালগ নিরাপত্তা সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য নতুন সংঘাত প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল। সেখানে অংশ নেওয়া মন্ত্রী, নীতিনির্ধারক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ জানান।
উপসাগরীয় দেশগুলোর আশঙ্কা, নিরাপত্তার নিশ্চয়তা হিসেবে বিবেচিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো ইরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্য হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগের দফার সংঘাতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। রয়টার্সকে চার ইউরোপীয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, স্বল্প নোটিশে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে পর্যাপ্ত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম জড়ো করেছে; চলতি সপ্তাহেই হামলা শুরু হতে পারে বলে তাদের আশঙ্কা।
সংঘাত এড়াতে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়িয়েছে আঞ্চলিক দেশগুলো। গত মাসে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা তেহরানে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং কাতারি কর্মকর্তারা তেহরান ও দোহায় বৈঠক করেছেন। মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি নতুন যুদ্ধকে আরও বিপজ্জনক ও ধ্বংসাত্মক বলে সতর্ক করেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আনোয়ার গারগাশ কূটনৈতিক সমাধানের কথা বললেও সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতির প্রস্তুতির কথাও জানান।
ইরান সংঘাতের আশঙ্কায় মার্কিন ঘাঁটিগুলোর নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে উদ্বিগ্ন উপসাগরীয় দেশগুলো
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।