বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লেখিত দাম ও বাজারের খুচরা দরের মধ্যে ফল ও নিত্যপণ্যে বড় পার্থক্য দেখা গেছে। ৩ অক্টোবর ফলের সরবরাহ ও মূল্য স্থিতিশীলতা নিয়ে এক সভায় কমিশন আপেলের কেজি ২৮০–৩৮০ টাকা, মাল্টা ২১০–৩২০ টাকা, কমলা ২৫০–৩৫০ টাকা এবং আঙুর ৩০০–৪৫০ টাকা উল্লেখ করে। এ ব্যবধান ভোক্তাদের বিভ্রান্তি এবং সরকারি সিদ্ধান্তে ভুল তথ্যের প্রভাবের আশঙ্কা তৈরি করেছে।
প্রতিবেদনে উদ্ধৃত বাজারচিত্রে মাল্টা টাউনহল বাজারে ৩৫০ টাকা, কাপ্তানবাজারে ৩২০–৩৬০ টাকা এবং বেনাপোলে ৩৫০ টাকা ছিল। টাউনহলে আঙুর বিক্রি হয়েছে ৪৮০–৫০০ টাকায়; কমলা সেখানে ৪২০ টাকা ও বেনাপোলে ৪০০ টাকা ছিল। নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য কেজিপ্রতি ১১০ টাকা হলেও চিনি ১২০ টাকায় বিক্রির কথা বলা হয়েছে। বোতলজাত সয়াবিন তেলের নির্ধারিত দাম লিটারপ্রতি ২০৪ টাকা হলেও অধিকাংশ মুদি দোকানে তা ২১০ টাকার নিচে পাওয়া যায়নি।
কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির-উদ-দৌলা বলেন, প্রতিবেদন সাধারণত আড়তদার বা পাইকারি বাজারের দরের ভিত্তিতে করা হয়, তবে পাইকারি ও খুচরা দামের এত ব্যবধান হওয়া উচিত নয়। ভবিষ্যতে দুই স্তরের তথ্য সমন্বয় করে প্রতিবেদন তৈরির কথা জানান তিনি। ক্যাব সভাপতি এএইচএম সফিকুজ্জামান প্রকৃত মূল্য নির্ধারণে ঢাকার ১৩টি প্রধান বাজারের খুচরা দরের গড় নেওয়ার পরামর্শ দেন।
ফল, চিনি ও সয়াবিন তেলের খুচরা দরে কমিশনের প্রতিবেদনের সঙ্গে বড় ফারাক
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।