প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৯ জুলাই বাংলাদেশে তৎকালীন সরকারের ঘোষিত ৩০ জুলাইয়ের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত না করে শোক পালনের ঘোষণাকে আন্দোলনটি ‘নির্মম উপহাস’ বলে আখ্যা দেয়। তারা ৩০ জুলাই সারা দেশে মুখে ও চোখে লাল কাপড় বেঁধে ছবি তুলে অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২৯ জুলাই মধ্যরাত থেকে ফেসবুকে লাল রঙের প্রোফাইল ছবির মাধ্যমে এই কর্মসূচিতে সাড়া দেখা যায়; শিক্ষার্থী ছাড়াও শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী ও কিছু তারকা সংহতি জানান। একই দিনে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ রিট শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষকে প্রশ্ন করে ‘জাতিকে নিয়ে মশকরা করবেন না’। টিআইবি ডিবি হেফাজতে সমন্বয়কদের রাখার ঘটনাকে ‘অনৈতিক’ ও ‘বেআইনি’ বলে নিন্দা জানিয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদনটি আরও বলেছে, ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীদের ওপর বাধা ও হামলার ঘটনা ঘটে এবং ঢাকায় অন্তত অর্ধশত শিক্ষার্থী আটক হয়। শিক্ষকরা ওই সময়ের সহিংসতাকে ‘জুলাই হত্যাকাণ্ড’ নামে অভিহিত করে গুম, গ্রেপ্তার ও হয়রানি বন্ধের দাবি জানান। বিশিষ্ট নাগরিকদের সমন্বয়ে জাতীয় গণতদন্ত কমিশন গঠনের কথাও এতে বলা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় শোক প্রত্যাখ্যান করে ২০২৪ সালের ২৯ জুলাই লাল কাপড়ের অনলাইন-রাজপথ কর্মসূচি ঘোষণা হয়
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।