বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (সিএজি) মো. নূরুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ৩৮টি অডিট রিপোর্ট পেশ করেছেন। এসব প্রতিবেদনের মধ্যে রয়েছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ‘গ্রিন সিটি’ আবাসিক ভবনের আলোচিত ‘বালিশ কাণ্ড’ দুর্নীতির তদন্ত প্রতিবেদন। ২০১৯ সালে প্রকাশিত এই কেলেঙ্কারিতে দেখা যায়, আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী কেনাকাটায় অস্বাভাবিক মূল্য দেখানো হয়, যেখানে প্রতিটি বালিশ কেনা হয় ৫,৯৫৭ টাকায় এবং তোলার খরচও আলাদা দেখানো হয়।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী জানান, প্রধানমন্ত্রী প্রতিবেদনে বালিশের অবিশ্বাস্য দাম শুনে মন্তব্য করেছেন যে এমন দামি বালিশ জাদুঘরে রাখা উচিত। প্রতিবেদনে দেখা যায়, ১৬৯ কোটি টাকার কেনাকাটায় নানা অনিয়ম হয়েছে, যেখানে কমফোর্টারের দাম ধরা হয়েছে ১৬,৮০০ টাকা এবং বিছানার চাদর কেনা হয়েছে ৫,৯৩৬ টাকায়, যা বাজারমূল্যের তুলনায় অনেক বেশি।
অডিট রিপোর্ট পেশকালে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, অর্থ সচিব খায়েরুজ্জামান মজুমদার ও প্রেস সচিব সালেহ শিবলী উপস্থিত ছিলেন।
রূপপুর ‘বালিশ কাণ্ড’ দুর্নীতির অডিট প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।