দীর্ঘ ১৬ বছর পর ভোটাধিকার ফিরে পাওয়া চার কোটি তরুণ ভোটারের প্রতিনিধিত্ব করে ২০২৬ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে বৈঠক করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)। বৈঠক শেষে ডাকসুর ভিপি ও ছাত্রনেতা সাদিক কায়েম ঘোষণা দেন, জুলাই বিপ্লবের উত্তরসূরিরা বেঁচে থাকতে বাংলাদেশে কোনো ধরনের নির্বাচনী ইঞ্জিনিয়ারিং বা পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসার সুযোগ দেওয়া হবে না।
সাদিক কায়েম নির্বাচন কেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করার ইসির সাম্প্রতিক প্রজ্ঞাপনকে স্বৈরতান্ত্রিক ও অগণতান্ত্রিক বলে আখ্যা দেন। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে বাধা সৃষ্টি করবে। কমিশন তাদের আশ্বস্ত করেছে যে প্রজ্ঞাপনটি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা জারি করা হবে। বিএনসিসিকে নির্বাচনি দায়িত্ব থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই বাহিনী পেশাদার ও প্রশিক্ষিত, এবং ইসি বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নারী প্রার্থীদের ওপর হামলা ও হুমকির ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। তিনি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান, যাতে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত হয়।
ডাকসুর হুঁশিয়ারি, নির্বাচনী ইঞ্জিনিয়ারিং বরদাস্ত নয়, সুষ্ঠু ভোটের দাবি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।