টানা পাঁচ দিনের ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ বন্যা, পাহাড়ি ঢল ও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হওয়ায় জেলা প্রশাসনের অধীন সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটিসহ সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এ ঘোষণা দেন। দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিটি উপজেলায় ও জেলা কার্যালয়ে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম চালু রেখে উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, অন্তত সাড়ে চার লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত সাতকানিয়া উপজেলার প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। চন্দনাইশ, লোহাগাড়া, বাঁশখালী ও বোয়ালখালীর বিস্তীর্ণ এলাকাও প্লাবিত হয়েছে। ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে ২০০ মেট্রিক টন চাল ও ১০ লাখ টাকা এবং প্রধানমন্ত্রীর তহবিল থেকে আরও ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। প্রায় আট হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন।
মোট ৬২৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যেখানে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওরস্যালাইন ও বিশেষ স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা রয়েছে। সাতকানিয়ার জন্য জরুরি ভিত্তিতে ১০টি স্পিডবোট চাওয়া হয়েছে এবং সরকারি-বেসরকারি সংস্থার সমন্বয়ে উদ্ধার কার্যক্রম চলছে।
টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রামে বন্যা, প্রশাসনের সব কর্মকর্তার ছুটি বাতিল
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।