বাংলাদেশের ২০২৪ সালের যুব আন্দোলনের অন্যতম নেতা ২৭ বছর বয়সী নাহিদ ইসলাম আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)-এর প্রধান হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। শেখ হাসিনার পতনের পর গঠিত এই দলটি দেশের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের বাইরে একটি মধ্যপন্থী বিকল্প হিসেবে নিজেদের উপস্থাপন করতে চায়। তবে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত এনসিপির ভেতরে বিভাজন সৃষ্টি করেছে এবং আন্দোলনের সংস্কারমুখী চেতনা টিকে থাকবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
এই জোটে জামায়াত ৩০০ আসনের মধ্যে ২২২টিতে প্রার্থী দিচ্ছে, আর এনসিপি ৩০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে, যার একটি ঢাকা-১১ থেকে নাহিদ ইসলাম নিজে লড়ছেন। ইসলাম এই জোটকে বাস্তবসম্মত রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন, যা এনসিপির সাংগঠনিক দুর্বলতা কাটাতে সহায়তা করবে। কিন্তু বিশ্লেষক ও সমাজকর্মীরা মনে করেন, এতে জামায়াতের বিতর্কিত ভাবমূর্তি নরম হলেও এনসিপি নিজেই প্রভাব হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে। জরিপে বিএনপি ও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঘনিষ্ঠ দেখা যাচ্ছে, যেখানে এনসিপির ভোট ভাগ্য ফল নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের পর এনসিপি স্বাধীনতা বজায় রাখতে পারবে কি না, সেটিই তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
বাংলাদেশের নির্বাচনে জামায়াতের সঙ্গে জোটে নাহিদ ইসলামের এনসিপি বিতর্ক ও বিভাজনের মুখে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।