Web Analytics

চব্বিশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জুলাই-আগস্টের সহিংসতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলো বিপুল আহত ও নিহত মানুষের চাপে সংকটের মুখে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শী, চিকিৎসক ও আহতদের বর্ণনায় জরুরি বিভাগ, করিডোর ও ওয়ার্ডে গুলিবিদ্ধ এবং রক্তাক্ত মানুষের ভিড়, লাশের সারি ও স্বজনদের আহাজারির চিত্র উঠে এসেছে। ১৯ জুলাই রাতে ঢামেকে গুলিবিদ্ধ রোগী ও লাশ আসতে থাকার কথা বলেন তৎকালীন ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. আবরার হামিম।

চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ছররা গুলি, ধাতব পেলেট ও সরাসরি গুলিতে চোখ, মুখ ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতপ্রাপ্ত বহু মানুষ চিকিৎসা নেন। গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় অনেকে হাসপাতালে যাননি বা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে যান, ফলে আহতের প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারিত হয়নি। ডা. আল কায়েস সরকার জানান, ১৮ জুলাইয়ের পর ঢামেকের বিভিন্ন বিভাগে রোস্টারের মাধ্যমে টানা চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। তাঁর মতে, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, ইন্টার্ন ও স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বহু মানুষের জীবন রক্ষা সম্ভব হয়েছিল।

এক নার্স জানান, ৩ আগস্ট ঢামেকের স্থায়ী ও অস্থায়ী মর্গ লাশে পূর্ণ হয়ে যায়; সরকারি হিসাবে সেখানে ১৮৬ জন নিহত হলেও চিকিৎসকদের দাবি প্রকৃত সংখ্যা ৩০০-এর বেশি। জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে ৮৬৪ জন আহত ভর্তি হন এবং আরও প্রায় এক হাজার ব্যক্তি ভর্তি ছাড়া চিকিৎসা নেন; ৬৫০ জনের অস্ত্রোপচার হয়। ফরাজী হাসপাতালে এক হাজারের বেশি এবং উত্তরা ক্রিসেন্টে অন্তত ৫০০ আহতের চিকিৎসার তথ্যও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

05 Aug 26 1NOJOR.COM

জুলাই আন্দোলনে আহতদের চাপে হাসপাতালগুলোতে তৈরি হয়েছিল ভয়াবহ সংকট

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।