ইরানে চলমান যুদ্ধের কূটনৈতিক সমাধান খুঁজতে মিশর, তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা গত বৃহস্পতিবার রিয়াদে বৈঠক করেন। আলোচনায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় ইরানের কার্যকর প্রতিনিধির অনুপস্থিতি, কারণ বৈঠকের আগেই ইসরাইলের হামলায় ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানি নিহত হন। মিশরের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে পাঁচ দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেন, যা স্থায়ী শান্তির পথে আস্থা গড়ার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হয়।
এই আলোচনার প্রভাব যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত পৌঁছে যায়। শনিবার রাতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়ার আল্টিমেটাম দেন, অন্যথায় বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংসের হুমকি দেন। তবে রিয়াদের বৈঠকের খবর পাওয়ার পর সোমবার সকালে ট্রাম্প অবস্থান পরিবর্তন করে কূটনৈতিক আলোচনার পথে অগ্রসর হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং সম্ভাব্য সামরিক হামলা স্থগিত করেন।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হওয়া গোপন বৈঠকগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে সমঝোতার আশাবাদ দেখিয়েছে এবং চলমান যুদ্ধের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব বিবেচনায় ট্রাম্প দ্রুত সংঘাতের অবসান চান।
রিয়াদ বৈঠকের পর ইরান ইস্যুতে সামরিক হুমকি থেকে সরে কূটনীতিতে ট্রাম্প
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।