নিবন্ধে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে মাধ্যমিক শিক্ষাকে শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে কর্মজীবনের জন্যও প্রস্তুতিমূলক করতে হবে। শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্র, বাস্তব সমস্যা, প্রযুক্তি ও পেশাগত সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় ঘটানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তবে অল্প বয়সে তাদের কোনো নির্দিষ্ট পেশায় আবদ্ধ না করার কথাও বলা হয়েছে। বাধ্যতামূলক দক্ষতার মধ্যে ডিজিটাল দক্ষতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটাসচেতনতা, যোগাযোগ, ইংরেজি, হিসাবরক্ষণ, উদ্যোক্তা দক্ষতা এবং হাতে-কলমে কাজের কথা রয়েছে।
ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা গ্রাফিক বা ওয়েব ডিজাইন, ইলেকট্রনিকস, কৃষিপ্রযুক্তি, রক্ষণাবেক্ষণ, টেক্সটাইল, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, সৌরবিদ্যুৎ ও বৈদ্যুতিক কাজের মতো অন্তত একটি বাজারযোগ্য দক্ষতায় প্রাথমিক পারদর্শিতা অর্জন করতে পারে। প্রতিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে দক্ষতা প্রশিক্ষণ ল্যাব স্থাপন এবং স্থানীয় শিল্প, ব্যবসা, হাসপাতাল, কৃষি, আইটি ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব রয়েছে।
নিবন্ধটি মুখস্থনির্ভর পরীক্ষার বদলে বাস্তব সমস্যা সমাধানভিত্তিক দলগত প্রকল্পের মাধ্যমে মূল্যায়নের পক্ষে। এতে ক্যারিয়ার গাইডেন্স ও বিভিন্ন পেশা পরিচিতির ক্লাস বাধ্যতামূলক করার কথাও বলা হয়েছে। স্থানীয় শ্রমবাজার অনুযায়ী উপকূলে মৎস্য, শিল্পাঞ্চলে ম্যানুফ্যাকচারিং, গ্রামে কৃষিপ্রযুক্তি এবং শহরে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও এআইকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
মাধ্যমিক শিক্ষায় ব্যবহারিক দক্ষতা, ক্যারিয়ার গাইডেন্স ও এআই জ্ঞান যুক্ত করার আহ্বান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।