সরকার গঠনের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ছয় মাসে বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের ৩৯ নেতাকর্মী অভ্যন্তরীণ কোন্দলে নিহত হয়েছেন বলে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য উদ্ধৃত করে জানিয়েছে আমার দেশ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আধিপত্য বিস্তার, কমিটির পদ-পদবি, হাট-বাজার ও বাস টার্মিনালের নিয়ন্ত্রণ, টেন্ডার ভাগাভাগি, ব্যক্তিগত বিরোধ এবং উপদলীয় গ্রুপিংকে কেন্দ্র করে সংঘাত ঘটছে।
আসক সূত্রে নিহতদের মধ্যে বিএনপির ২১ জন, যুবদলের আটজন, কৃষক ও শ্রমিক দলের দুজন করে, স্বেচ্ছাসেবক দলের তিনজন, ছাত্রদলের দুজন এবং তাঁতীদলের একজন রয়েছেন। অধিকাংশ ঘটনা ঢাকা, ঝিনাইদহ, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় ঘটেছে। প্রতিবেদনে জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত পাল্টাপাল্টি হামলায় প্রায় তিন শতাধিক আহত হওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
পুলিশ বলেছে, রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা না করে তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ডিবির ভাষ্য অনুযায়ী, ২৪ জুলাই কাফরুলে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় ভাড়াটে শুটার নিয়োগের অভিযোগ রয়েছে; গুলিতে যুবদলকর্মী ইউসুফ আলী নিহত হন। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর লুট হওয়া ১,৩২০টি অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি এবং সেগুলো উদ্ধারে অভিযান চলছে।
অভ্যন্তরীণ কোন্দলে ছয় মাসে বিএনপির ৩৯ নেতাকর্মী নিহতের দাবি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।