শীতের আগমনের সঙ্গে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে খেজুরগাছ প্রস্তুতের কাজ শুরু হয়েছে। রস সংগ্রহের মৌসুম সামনে রেখে গাছিরা গাছ পরিষ্কার করছেন, ডালপালা ছাঁটছেন এবং রস আহরণের উপযোগী করে তুলছেন। শীত বাড়লে গাছে মাটির হাঁড়ি ঝুলিয়ে রস সংগ্রহ শুরু হবে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গাছিরা দা ও হাঁসুয়া দিয়ে শুকনো ডালপালা পরিষ্কার এবং গাছের নির্দিষ্ট অংশ ছাঁটাই করছেন। পরে ওই অংশে নল বসিয়ে হাঁড়িতে রস সংগ্রহ করা হবে। এই রস দীর্ঘ সময় জ্বাল দিয়ে গুড় ও পাটালি তৈরি হয়, যার পিঠা-পায়েসসহ নানা খাবারে চাহিদা রয়েছে। রস সংগ্রহ ও গুড় তৈরি অনেক গাছির মৌসুমি আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস।
স্থানীয়দের মতে, বসতি সম্প্রসারণ, জমির ব্যবহার পরিবর্তন ও পুরোনো গাছ নষ্ট হওয়ায় খেজুরগাছ এবং স্থানীয় গাছির সংখ্যা কমেছে। তাই রাজশাহী অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে গাছিরা মৌসুমে এসে গাছমালিকদের সঙ্গে চুক্তিতে কাজ করেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মমিনুল ইসলাম ঐতিহ্য রক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা ও গ্রামীণ কর্মসংস্থান বাড়াতে বেশি খেজুরগাছ রোপণ এবং বিদ্যমান গাছ সংরক্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন।
শীতের রস ও গুড়ের মৌসুম সামনে রেখে রায়গঞ্জে খেজুরগাছ প্রস্তুত করছেন গাছিরা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।