কারিতাস বাংলাদেশের ২০২৫ সালের এক জরিপে দেখা গেছে, বস্তি ও পথশিশুদের মধ্যে ৫৮ দশমিক ২ শতাংশ শিশুর জন্মসনদ নেই। ফলে তারা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বাইরে থেকে যাচ্ছে। ঢাকা, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী শহরের ৬৬৭ পথশিশু ও ১,২৪৬ বস্তিবাসী পরিবারের ওপর পরিচালিত এই জরিপে আরও জানা যায়, এসব পরিবারের ৯১ দশমিক ৭ শতাংশ সরকারি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় নেই এবং অর্ধেকের বেশি শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে রয়েছে।
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় জানায়, প্রতিদিন গড়ে ৪০-৫০ হাজার নিবন্ধন সম্পন্ন হলেও ভাসমান ও ঠিকানাবিহীন পরিবারের শিশুদের নিবন্ধন এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। কারিতাসের কর্মকর্তারা বলেন, জন্মসনদ না থাকা শুধু প্রশাসনিক নয়, এটি মানবাধিকার সংকট। অনেক পিতামাতা জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর না জানায় নিবন্ধন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও নিবন্ধন দপ্তরের সমন্বয়হীনতাও বড় বাধা।
কারিতাস জন্মের পরপরই হাসপাতালভিত্তিক নিবন্ধন চালু, পিতামাতাহীন শিশুদের জন্য প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং শর্তযুক্ত ভাতা কর্মসূচি সম্প্রসারণের সুপারিশ করেছে, যাতে প্রান্তিক শিশুরা শিক্ষা ও সুরক্ষার সুযোগ পায়।
বাংলাদেশে বস্তির অর্ধেকের বেশি শিশুর জন্মসনদ নেই, মৌলিক সেবা থেকে বঞ্চিত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।