১৯৯২ সালে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পর ভারত ও ইসরাইল প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, কৃষি ও সন্ত্রাসবাদ দমনে অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তুলেছে। ইসরাইল ভারতের শীর্ষ প্রতিরক্ষা সরবরাহকারী, আর ভারত ইসরাইলি প্রযুক্তির একটি বড় বাজারে পরিণত হয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৃতীয় মেয়াদে ২৭–২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ইসরাইল সফর এই সম্পর্ককে আরও গভীর করার একটি উচ্চ পর্যায়ের পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সমালোচকেরা বলছেন, এই ঘনিষ্ঠতা ভারতের ঐতিহাসিক উপনিবেশবিরোধী ও ফিলিস্তিনপন্থী অবস্থান থেকে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়। নজরদারি ও ড্রোন প্রযুক্তিতে সহযোগিতা মানবাধিকার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে, এবং এই সম্পর্ক সংখ্যালঘুদের লক্ষ্যবস্তু করার আশঙ্কা তৈরি করছে। ফিলিস্তিনি অধিকারের সমর্থনকে ভারতবিরোধী হিসেবে উপস্থাপনের অভিযোগও উঠেছে।
তবে ভারত ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কূটনৈতিক ও মানবিক সম্পর্ক বজায় রেখেছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। এতে বোঝা যায়, ভারত তার মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে নতুন ভারসাম্য খুঁজছে।
ভারত-ইসরাইল জোটে ঘনিষ্ঠতা, উপনিবেশবিরোধী অবস্থান থেকে সরে যাওয়ার অভিযোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।