মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৮ সেপ্টেম্বর ‘স্যানকশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট’-এ স্বাক্ষর করার পর ভারতীয় রপ্তানিকারকেরা ভারতীয় পণ্যে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। গত ১২ মাসে রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাসের শীর্ষ পাঁচ ক্রেতা দেশের পণ্যে উচ্চ শুল্ক আরোপের সুযোগ রয়েছে এই আইনে। ভারত ও চীন সম্ভাব্যভাবে এর আওতায় পড়তে পারে। তবে শুল্কহার, কোন পণ্য অন্তর্ভুক্ত হবে এবং কার্যকরের বিস্তারিত এখনো জানায়নি যুক্তরাষ্ট্র।
ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান এক্সপোর্ট অর্গানাইজেশনের সভাপতি এসসি রালহান বলেন, উচ্চ শুল্ক আরোপ হলে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের রপ্তানি পুরোপুরি থেমে যেতে পারে, কারণ আমদানিকারকদের পক্ষে এত শুল্ক বহন সম্ভব নয়। টেকনোক্রাফট ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান শরদ সারাফের মতে, শুল্কের চেয়ে অনিশ্চয়তাই বেশি উদ্বেগের। প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ, বিশেষত চীনের পণ্যে কী শুল্ক বসে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
যুক্তরাষ্ট্র ভারতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এপ্রিল-আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের পণ্য রপ্তানি ৬ দশমিক ১৭ শতাংশ বেড়ে ৪২ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়। প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের ৩০ দিনের মধ্যে আইনটি কার্যকর হওয়ার কথা। চূড়ান্ত প্রভাব নির্ভর করবে শুল্কের হার, পণ্যের আওতা এবং প্রতিযোগী দেশগুলোর জন্য নির্ধারিত শুল্কের ওপর।
নতুন মার্কিন আইনে ভারতীয় পণ্যে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কের আশঙ্কা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।