ইসরাইলের নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ক্ষমতায় থাকবেন কি না এবং সরকার গঠনে আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলো নির্ধারক হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার প্রায় ৭৩ লাখ যোগ্য ভোটার ১২০ সদস্যের নেসেট নির্বাচনে ভোট দেবেন। নির্বাচনের আগের জরিপে নেতানিয়াহুর ডানপন্থি ও অতি-ধর্মীয় জোট ৫০ থেকে ৫১ আসন পেতে পারে বলে আভাস দেওয়া হয়েছে। গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন চারটি ইহুদি-নেতৃত্বাধীন বিরোধী দল পেতে পারে ৫২ থেকে ৫৬ আসন।
আরব-নেতৃত্বাধীন রা’আম ও জয়েন্ট লিস্ট মিলিয়ে ১৪ থেকে ১৬ আসন পেতে পারে বলে জরিপে উঠে এসেছে। এতে নেতানিয়াহুবিরোধীদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথ তৈরি হলেও আরব দলগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা নিয়ে বিরোধীদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। আভিগদর লিবারম্যানসহ কয়েকজন নেতা আরব দলগুলোর সঙ্গে সরকার গঠনের বিরোধিতা করেছেন। আদর্শগত বিভাজনও বিরোধী জোটের স্থিতিশীল সরকার গঠনকে কঠিন করতে পারে।
আনুষ্ঠানিক ফল ৪ নভেম্বর প্রকাশের কথা এবং ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত আপিল করা যাবে। প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগ দলীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকার গঠনের সম্ভাবনাময় ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেবেন। প্রথম দফায় ২৮ দিন, প্রয়োজনে আরও ১৪ দিন সময় মিলবে। আলোচনা ব্যর্থ হলে সংখ্যালঘু সরকার, জাতীয় ঐক্যের সরকার বা নতুন নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে; সে ক্ষেত্রে নেতানিয়াহু তত্ত্বাবধায়ক প্রধানমন্ত্রী থাকবেন।
ইসরাইলের ভোটে নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ ও আরব দলগুলোর ভূমিকা অনিশ্চিত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।