২০১৭ সালে চালু হওয়া বাংলাদেশের মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) সেবা আট বছর পরও প্রত্যাশিত সফলতা পায়নি। এই সেবার মাধ্যমে গ্রাহকরা মোবাইল নম্বর অপরিবর্তিত রেখে অপারেটর পরিবর্তন করতে পারেন, কিন্তু বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক ও কার্যকরী বাধার কারণে এর বিকাশ ব্যাহত হয়েছে। বিটিআরসি একাধিক প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দিলেও সেবাটি এখনো সীমিত পর্যায়ে রয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিটিআরসি ও মোবাইল অপারেটরদের উদাসীনতা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) উচ্চ কর আরোপ এবং প্রণোদনা প্রদানে নিষেধাজ্ঞা এমএনপি সেবার প্রধান বাধা। বর্তমানে গ্রাহকদের ৪৫০ টাকা ফি দিতে হয়, যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি। এছাড়া বিটিআরসির নির্দেশনার কারণে এমএনপি ব্যবহারকারীরা মাস্কিং এসএমএস না পাওয়ায় আর্থিক ও সামাজিক প্ল্যাটফর্মে সমস্যায় পড়ছেন।
বিশেষজ্ঞরা ২০১৮ সালের এমএনপি নির্দেশিকা পুনর্বিবেচনা, কর হ্রাস এবং প্রণোদনা অনুমোদনের পরামর্শ দিয়েছেন। তারা জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে সেবাটি কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়।
উচ্চ খরচ ও নিয়ন্ত্রক জটিলতায় আট বছরেও সফল নয় বাংলাদেশের এমএনপি সেবা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।