অবসরপ্রাপ্ত মেজর সাব্বির রহমান ওসমানি বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ বলেন, ২০১১ সালে সুন্দরবনের নিশানখালীতে তৎকালীন র্যাব গোয়েন্দা প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে অভিযানে বন্দুকযুদ্ধে দুজন নিহত হলেও পরে ছয়জন নিহত দেখানো হয়। জিয়াউলের আইনজীবী সাহিদুর রহমানের দ্বিতীয় দিনের জেরায় তিনি এ কথা বলেন।
সাব্বির জানান, মূল অভিযানের আগের রাতে র্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের একটি অগ্রগামী দল ঘটনাস্থলে যায়। ভোরে মূল দল এলাকা ঘিরে ফেলার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় বনের ভেতর থেকে হুইসেলের শব্দ শোনা যায়, যা অগ্রগামী দলের সংকেত ছিল বলে তিনি বলেন। এরপর জিয়াউল বনের দিকে গুলি চালানোর নির্দেশ দেন। গোলাগুলির পর অস্ত্র, গোলাবারুদ ও দুটি লাশ উদ্ধারের কথা দেখানো হয়, পরে ব্যাটালিয়ন সদরকে ছয়টি লাশ দেখানো হয়।
সাব্বিরের ভাষ্য, পরে তদন্ত করে তিনি জানতে পারেন, অগ্রগামী দল চারটি লাশ আগে থেকেই সেখানে নিয়ে গিয়ে জিয়াউলের নির্দেশে গুলি করে হত্যার পর মূল অভিযানের অংশ হিসেবে দেখিয়েছে। তিনি আরও বলেন, র্যাব-৮ দপ্তরে হিসাববহির্ভূত অস্ত্র ও গুলি রাখা হতো, যা ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার জব্দ আলামত থেকে আনা হয়েছিল বলে তিনি জেনেছেন। তিনি আলকাছ মাঝির মৃত্যু ও বনদস্যু হওয়ার বিষয়ে আইনজীবীর দাবিও অস্বীকার করেন।
সুন্দরবনের ২০১১ সালের র্যাব অভিযানে চার মৃত্যু সাজানোর অভিযোগ সাক্ষীর
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।