সরকারি কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ২৫ জেলায় ৩২টি ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সীমিত সাড়া নিয়ে উদ্বেগ উঠেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একটি প্রতিবেদনে এ অভিযোগ উঠে এসেছে। হিমাগার নির্মাণের সর্বশেষ অগ্রগতি জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও টাঙ্গাইল, রাজশাহী ও ঝিনাইদহের সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা ফোনে সাড়া দেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, এ কাজে অর্থ নয়ছয়ের সুযোগ কম থাকায় কিছু কর্মকর্তা আগ্রহ কম দেখাচ্ছেন এবং লাভজনক উন্নয়ন প্রকল্পের প্রতি তাদের ঝোঁক বেশি। ৩২টি হিমাগারের ৩০ শতাংশেরও কম নির্মাণ শেষ হয়েছে; এখন পর্যন্ত শেষ হয়েছে মাত্র নয়টির কাজ। রাজবাড়ী ও চট্টগ্রামে দুটি করে এবং যশোর, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর ও দিনাজপুরে একটি করে হিমাগার সম্পন্ন হয়েছে।
পৃথক একটি প্রকল্পে ১৮০টি ক্ষুদ্র হিমাগার নির্মাণও চলমান, যার মেয়াদ আগামী অক্টোবরে শেষ হওয়ার কথা। গত রোববার পর্যন্ত ১৪৭টি স্থাপন করা হয়েছে এবং বাকি কাজ শেষ করতে মেয়াদ বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে বলে সূত্রগুলো মনে করছে। মনিটরিং উইংয়ের উপপরিচালক ড. আবু জাফর আল মুনছুর বলেন, মন্ত্রণালয়ের সরাসরি তদারকির কারণে তাদের ভূমিকা কম এবং এসব হিমাগারে কৃষকের আবাদি জমির কৃষিপণ্য রাখা হবে।
ক্ষুদ্র হিমাগার নির্মাণে ধীরগতি ও মাঠ কর্মকর্তাদের সাড়া না দেওয়ার অভিযোগ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।