ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক সোহেল রানার বিরুদ্ধে তাঁর গাড়িচালক আলী হোসেন বাচ্চুকে খাসকামরায় মারধরের অভিযোগ উঠেছে। রোববার দুপুরে বাচ্চু অভিযোগ করেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে লগবই নিয়ে বিচারকের কক্ষে গেলে ৭টার সময় লেখা নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়। গাড়ি পরিষ্কার করার জন্য আগে পৌঁছানোর প্রয়োজনের কথা বলার পর বিচারক তাঁর চোখের ওপর ঘুষি ও কানের ওপর থাপ্পড় মারেন বলে তিনি দাবি করেন।
বাচ্চুর ভাষ্য, পরে বিচারকের পিয়ন তাঁর হাত ধরে টেনে সরিয়ে দেন এবং একটি লাথি মারার চেষ্টা করলেও তা গায়ে লাগেনি। কক্ষ থেকে বের করে দেওয়ার পর তাঁর চোখ দিয়ে পানি পড়ে ও চোখ ফুলে যায় বলে তিনি জানান। তিনি গাড়ির ব্যবহার ও জ্বালানি বরাদ্দ নিয়ে বিচারকের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ করেন এবং এসব বিষয় নিয়ে মনকষাকষি ছিল বলে দাবি করেন। তিনি ন্যায়বিচার চান এবং প্রয়োজনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন।
ট্রাইব্যুনাল-৪-এর চালক আবদুর রহিম বলেন, অসুস্থ অবস্থায় বাচ্চু তাঁদের কাছে আসেন এবং তাঁকে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁর এক চোখে ব্যান্ডেজ দেওয়া হয়। বিচারক সোহেল রানা ঘুষি দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, গাড়ি পরিষ্কার ও লগবই হালনাগাদসহ পেশাগত দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন করার সময় চালক রাগান্বিতভাবে তাকালে তিনি তাকে ধাক্কা দিয়ে কক্ষ থেকে বের করে দেন।
ট্রাইব্যুনাল চালকের মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে ধাক্কা দেওয়ার কথা বললেন বিচারক
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।