Web Analytics

২০২৬ সালের ৮ জুন প্রকাশিত একটি প্রবন্ধে মধ্যযুগীয় মুসলিম সভ্যতার নৌপ্রযুক্তি ও নৌদিকনির্ণয়ে অসামান্য অবদানের বিশদ বিবরণ তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আরব ও পারস্যের নাবিক, জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীরা জাহাজ নির্মাণ, দিকনির্ণয় ও মানচিত্রবিদ্যায় এমন সব উদ্ভাবন করেন—যেমন চৌম্বকীয় কম্পাস, অ্যাস্ট্রোলেব ও সামুদ্রিক মানচিত্র—যা দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রাকে নিরাপদ ও কার্যকর করে তোলে।

প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়েছে, সপ্তম থেকে পঞ্চদশ শতাব্দী পর্যন্ত মুসলিমরা ভারত মহাসাগর, লোহিত সাগর ও ভূমধ্যসাগরে সামুদ্রিক আধিপত্য বজায় রেখেছিল। তাদের উন্নত নৌজ্ঞান ও ‘লাতিন পাল’যুক্ত ধাও জাহাজ দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রায় বিপ্লব ঘটায়। আল-ইদ্রিসি, ইবনে মাজিদ ও আল-বিরুনির মতো ভূগোলবিদরা নিখুঁত মানচিত্র ও নৌনির্দেশিকা তৈরি করেন। আব্বাসীয় ও ফাতেমীয় যুগে শক্তিশালী নৌবাহিনী গড়ে ওঠে, যা সামরিক ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রবন্ধটি উপসংহারে জানায়, মুসলিম নৌপ্রযুক্তি ইউরোপীয় রেনেসাঁ ও সামুদ্রিক অভিযানের ভিত্তি স্থাপন করে এবং পরবর্তী ইউরোপীয় জাহাজ নির্মাণ ও দিকনির্ণয় প্রযুক্তিতে গভীর প্রভাব ফেলে।

08 Jun 26 1NOJOR.COM

মুসলিম নৌপ্রযুক্তি মধ্যযুগীয় নৌযাত্রা ও ইউরোপীয় অভিযানে প্রভাব ফেলেছিল

Person of Interest

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।