২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর ভারতে আশ্রয় নেওয়া আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও পলাতক মন্ত্রীদের মধ্যে গভীর বিভাজন তৈরি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। ১৫ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করলেও তাঁর প্রকাশ্য উপস্থিতির অভাব এবং দূর থেকে দল পরিচালনা নিয়ে তৃণমূল ও প্রবীণ নেতাদের ক্ষোভ বেড়েছে।
কলকাতার আনন্দবাজারে প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকের সাক্ষাৎকারের পর বিরোধ প্রকাশ্যে আসে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। নানক হাসিনার আগে দেশে ফেরার এবং প্রতিশোধ নেওয়ার কথা বলেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল নানকের দেশে ফেরার বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং নিজের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের বিধিনিষেধ, রাজনৈতিক বক্তব্য দিলে বাংলাদেশে হস্তান্তরের আশঙ্কা ও অর্থকষ্টের কথা জানান।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও প্রান্তিক হয়ে পড়েছেন এবং ১৫ আগস্ট কলকাতা বা অন্যত্র তাঁর পক্ষ থেকে কোনো স্মরণসভা হয়নি। কলকাতায় আওয়ামী লীগের কোনো অংশের প্রকাশ্য অনুষ্ঠান বা জমায়েতও দেখা যায়নি বলে দাবি করা হয়েছে। পুরনো মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের অবহেলা, আর্থিক সংকট ও গ্রেপ্তারের ভয় দলটির অভ্যন্তরীণ অনাস্থা বাড়াচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।
ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতাদের মধ্যে তীব্র বিভাজনের দাবি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।