নির্বাচন শেষে বাংলাদেশে নতুন সরকার দায়িত্ব নিতে যাচ্ছে, আর সেই সময়েই সামনে আসছে রমজান মাস। এই প্রেক্ষাপটে নিত্যপণ্যের দাম হু হু করে বাড়তে থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। লেখায় বলা হয়েছে, বাজার নিয়ন্ত্রণই হবে নতুন সরকারের প্রথম বড় পরীক্ষা, কারণ অতীতে রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগে অসাধু ব্যবসায়ীরা বাজার অস্থিতিশীল করেছে। চাল, ডাল, তেল, চিনি ও সবজির দাম ইতিমধ্যে বেড়ে যাওয়ায় মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য রমজানের প্রস্তুতি কঠিন হয়ে পড়ছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় ২১ লাখ টন খাদ্যপণ্য আটকে আছে, যা সময়মতো খালাস না হলে কৃত্রিম সংকট তৈরি হতে পারে। পর্যাপ্ত লাইটার জাহাজ ও গুদামের অভাবে পরিস্থিতি আরও জটিল হচ্ছে। বাজার অস্থিতিশীলতার মূল কারণ হিসেবে ‘সিন্ডিকেট’ বা দুষ্টচক্রকে দায়ী করা হয়েছে, যারা প্রশাসনিক দুর্বলতার সুযোগে পণ্য মজুত করে দাম বাড়ায়।
লেখায় আহ্বান জানানো হয়েছে, সরকারকে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে সিন্ডিকেট ভেঙে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে হবে। রমজানের আগে বাজার স্থিতিশীল রাখা নতুন সরকারের জনপ্রিয়তার প্রথম বড় পরীক্ষা হবে।
রমজান সামনে রেখে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে নতুন সরকারের অগ্নিপরীক্ষা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।