চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন, বিশ্ব পরিস্থিতি যেভাবেই পরিবর্তিত হোক না কেন, চীন সবসময় বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু, ভালো প্রতিবেশী ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে পাশে থাকবে। বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বাংলাদেশের জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার প্রচেষ্টাকে সমর্থন এবং যেকোনো বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেন। বৈঠকে দুই দেশ নতুন যুগের অভিন্ন ভবিষ্যৎসম্পন্ন বাংলাদেশ-চীন সম্প্রদায় গঠনের ঘোষণা দেয় এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও উচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেয়।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, উভয় দেশ কৌশলগত সংলাপ, রাজনৈতিক আস্থা ও সহযোগিতা জোরদারে একমত হয়েছে। সবুজ ও নিম্ন-কার্বন উন্নয়ন, ডিজিটাল অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শি জিনপিং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর উন্নয়ন এবং জাতিসংঘসহ বহুপাক্ষিক কাঠামোর আওতায় সমন্বয় বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ১০৫তম বার্ষিকীতে অভিনন্দন জানিয়ে এক চীন নীতির প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি চীনের আধুনিকায়নকে অনুসরণযোগ্য মডেল হিসেবে উল্লেখ করে বিআরআইসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে সমর্থন ও বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা চীনের
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।