রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে অনুষ্ঠিত চতুর্দশ যাকাত ফেয়ার ২০২৬-এ বক্তারা বলেন, আর্থিক বৈষম্য কমাতে রাষ্ট্রীয়ভাবে কার্যকর যাকাত ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন জানান, প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যাকাত আদায় ও বিতরণ করা গেলে বছরে প্রায় এক লাখ কোটি টাকা সংগ্রহ সম্ভব, যা দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান এবং স্বাগত বক্তব্য দেন সেন্টার ফর যাকাত ম্যানেজমেন্টের (সিজেডএম) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়া।
বক্তারা বলেন, যাকাত শুধু আর্থিক বিধান নয়, এটি একটি নৈতিক দায়িত্বও। অনেক সামর্থ্যবান ব্যক্তি যাকাত দেন না বা সঠিকভাবে হিসাব করেন না। তাই রাষ্ট্রীয় তত্ত্বাবধানে যাকাতের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা জরুরি। ‘ইসলামিক সামাজিক অর্থায়ন: ভবিষ্যৎ পথনির্দেশিকা’ শীর্ষক সিম্পোজিয়ামে প্রস্তাব করা হয়, যাকাত ও ওয়াকফ থেকে আয় জিডিপির চার শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে এবং এজন্য একটি ইসলামিক সোশ্যাল ফাইন্যান্স মন্ত্রণালয় গঠনের প্রয়োজন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ বলেন, সরকারের সক্রিয় ভূমিকা ও সঠিক দিকনির্দেশনা থাকলে যাকাত ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও স্বচ্ছ করা সম্ভব।
ঢাকায় যাকাত ফেয়ার ২০২৬-এ বক্তাদের আহ্বান, রাষ্ট্রীয় যাকাত ব্যবস্থা গড়ে তোলার দাবি
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।