সম্প্রতি প্রকাশিত এপস্টেইন ফাইলসের চিঠিপত্রে দেখা গেছে, দোষী সাব্যস্ত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইন ইস্তাম্বুলে সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যার পরের দিনগুলোতে একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে বার্তা বিনিময় করেছিলেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত ৩০ লাখ নথির মধ্যে এপস্টেইন ও আনাস আল রশিদ নামের এক ব্যক্তির কথোপকথনের তথ্য উঠে এসেছে। ২০১৮ সালের ১২ অক্টোবরের এক বার্তায় আল রশিদ হত্যাকাণ্ডটিকে ‘কুৎসিত’ বলে উল্লেখ করেন, জবাবে এপস্টেইন বলেন, এর পেছনে আরও বড় কিছু থাকতে পারে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের শাসক মোহাম্মদ বিন জায়েদের ইঙ্গিত দেন। আল রশিদ সতর্ক করে বলেন, তথ্য ফাঁস দ্রুত ঘটছে এবং এটি এখন এক ধরনের মিডিয়া যুদ্ধ।
আরেকটি ইমেলে এপস্টেইন দাবি করেন, এক ‘দ্বিতীয় সূত্র’ তাকে জানিয়েছে যে অভিযানে অংশ নেওয়া একজন ব্যক্তি ফোনে ভিডিও ধারণ করেছিলেন, পরে সেটি হ্যাক করে ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়, তবে কে হ্যাক করেছে তা উল্লেখ নেই। ১৩ অক্টোবরের এক আলোচনায় এপস্টেইন খাশোগিকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে চিহ্নিত করার সম্ভাবনা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। পৃথক এক এফবিআই স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, এপস্টেইন মার্কিন ও ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে কাজ করেছিলেন এবং ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এহুদ বারাকের ঘনিষ্ঠ ছিলেন।
এপস্টেইন ফাইলসে খাশোগি হত্যার পর জেফ্রি এপস্টেইনের বার্তা বিনিময়ের তথ্য প্রকাশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।