রাশিয়ার যুদ্ধ ও প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরোধিতা করে দেশ ছাড়ানো রুশ নাগরিকরা রাশিয়া এবং ইউরোপ—দুই দিক থেকেই ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে পড়ছেন। ১৮ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মস্কো বিদেশে থাকা সরকারবিরোধীদের নাগরিক অধিকার সীমিত করার উদ্যোগ নিয়েছে, আর ইউরোপের দেশগুলোও আশ্রয় ও বসবাসের সুযোগ কঠিন করছে।
চলতি মাসের শুরুতে পুতিন রাজনৈতিক মামলায় অনুপস্থিতিতে দণ্ডিত বিদেশে থাকা ব্যক্তিদের পাসপোর্ট নবায়নসহ কনস্যুলার সেবা সীমিত করে নতুন আইন করেছেন। ‘বিদেশি এজেন্ট’ আইন লঙ্ঘন বা রুশ সেনাবাহিনীকে ‘অসম্মান’ করার অভিযোগেও এই পদক্ষেপ হতে পারে। ২০২৩ সালের নাগরিকত্ব আইন কার্যকর হওয়ার পর ৪ হাজার ৫০০-এর বেশি মানুষের নাগরিকত্ব বাতিল হয়েছে।
জার্মানিতে মানবিক ভিসার সুযোগ সীমিত হয়েছে, ফিনল্যান্ড ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর এক হাজারের বেশি রুশ নাগরিককে বহিষ্কার ও এক হাজার ১০০-এর বেশি আশ্রয় আবেদন নাকচ করেছে। রুশ-আর্মেনীয় কর্মী আরশাক মাকিচিয়ান বলেন, যুদ্ধবিরোধীরা বিদেশেও বাধার মুখে পড়ছেন। নতুন সেনা সমাবেশের আশঙ্কায় আরও মানুষ দেশ ছাড়তে পারেন, কিন্তু নিরাপদ আশ্রয়ের নিশ্চয়তা নেই।
রুশ যুদ্ধবিরোধীরা মস্কোর বিধিনিষেধ ও বিদেশে কঠোর আশ্রয়নীতির চাপে
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।