ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর প্রশ্নে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বিষয়টি শুধু একটি দেশের দৃষ্টিতে না দেখে সার্বিক রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে বিবেচনা করা উচিত। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য কর্নেল (অব.) আব্দুল বাতেনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বড় ঘাটতির দুটি দেশ ভারত ও চীন। গত অর্থবছরের তুলনায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কিছুটা বেড়েছে। দুই দেশের বর্তমান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় পৌনে ১৩ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশ ১ দশমিক ৮৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে, আর বাকি বড় অংশ ভারত থেকে বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে গঠিত।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, চামড়া, পাট, জাহাজ নির্মাণ, হালকা প্রকৌশল ও সেমিকন্ডাক্টরকে সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি ভারতের দিকের কিছু বাধা এবং গত দুই বছরে বাংলাদেশের দিক থেকে তৈরি কিছু প্রতিবন্ধকতার কথা উল্লেখ করেন। সম্প্রতি ভারতীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সফরে অবকাঠামো উন্নয়নে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের নিয়ে টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাবে বাংলাদেশ ইতিবাচক আগ্রহ দেখিয়েছে।
ভারতের সঙ্গে ঘাটতি বাড়লেও রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে জোর দিচ্ছে বাংলাদেশ
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।