দীর্ঘ ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শেষে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা, মহিপুর ও আলিপুরের হাজারো জেলে ইলিশসহ সামুদ্রিক মাছ ধরার আশায় বঙ্গোপসাগরে নামেন। কিন্তু উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে বৈরী আবহাওয়া, উত্তাল সাগর, মাছের সংকট ও অবৈধ ট্রলিং বোটের দৌরাত্ম্যে অধিকাংশ ট্রলার খালি হাতে ফিরে এসেছে। এতে জেলেরা জ্বালানি, বরফ ও মজুরির খরচ তুলতে না পেরে মারাত্মক আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
স্থানীয় জেলেরা অভিযোগ করেছেন, আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারকারী বড় ট্রলিং বোট উপকূলের কাছাকাছি এসে নিষিদ্ধ জাল দিয়ে নির্বিচারে মাছ ধরছে, এতে ছোট ট্রলারের জাল ছিঁড়ে যাচ্ছে এবং পোনা মাছ ধ্বংস হচ্ছে। এ অবস্থায় জেলেরা বিক্ষোভ ও সংবাদ সম্মেলন করে স্থানীয় সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার অপসারণ দাবি করেছেন। বৈরী আবহাওয়ায় তিনটি ট্রলারডুবিতে অন্তত ১৩ জন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্কতা জারি করেছে এবং জেলেদের সাবধানতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দিয়েছে। উপকূলবাসী অবৈধ ট্রলিং বন্ধ, ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের সহায়তা ও নিখোঁজদের উদ্ধারে জরুরি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।
নিষেধাজ্ঞা শেষে বৈরী আবহাওয়া ও অবৈধ ট্রলিংয়ে কুয়াকাটার মৎস্য খাত বিপর্যস্ত
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।