মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর ইরান পাল্টা আক্রমণ চালালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকার জরুরি করণীয় নির্ধারণে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা এবং জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। সরকার রেমিট্যান্স ও জ্বালানি খাতের সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ জানান, জ্বালানি খাতকে নিরাপদ রাখতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চলছে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, দেশের বর্তমান জ্বালানি মজুত যথেষ্ট এবং আতঙ্কের কিছু নেই। কর্মকর্তারা জানান, দেশে প্রায় ৪৫ দিনের পরিশোধিত জ্বালানি মজুত রয়েছে এবং জুন পর্যন্ত সরবরাহ চুক্তি কার্যকর থাকবে, ফলে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হলেও তাৎক্ষণিক সংকটের আশঙ্কা নেই।
প্রধানমন্ত্রী নিজে পরিস্থিতি তদারকি করছেন এবং প্রবাসী শ্রমিক ও আটকে পড়া যাত্রীদের সহায়তায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন। অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেছেন, যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে প্রভাব পড়তে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রবাসী নিরাপত্তা ও জ্বালানি সরবরাহে সরকারের অগ্রাধিকার
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।