পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা, অর্থনৈতিক দুরবস্থা এবং বিরোধী দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের ওপর কঠোর দমন-পীড়ন মিলিয়ে গভীর অভ্যন্তরীণ সংকট তৈরি হয়েছে বলে উৎসে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ মক্কা জোট, ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত থামানোর চেষ্টা এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতায় সক্রিয় থাকলেও দেশের পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। লেখাটি বর্তমান সরকারে নওয়াজ মুসলিম লীগ, পিপিপি ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিফ মুনিরকে প্রধান শক্তি হিসেবে বর্ণনা করেছে।
পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ২০২৬ সালের প্রথম নয় মাসে খাইবার পাখতুনখোয়ায় ২ হাজার ৪৫৬টি সন্ত্রাসী হামলায় ৪৭২ নিরাপত্তাকর্মী ও ১ হাজার ৫০০ সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছেন। সেপ্টেম্বর মাসে আমন মেলা এলাকায় যৌথ পুলিশ ও শুল্কচৌকিতে বিস্ফোরকবোঝাই ট্রাক্টর দিয়ে আত্মঘাতী হামলায় অন্তত ১০ নারী ও শিশু নিহত হয়। বেলুচিস্তানেও বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মিসহ অন্যান্য গোষ্ঠীর হামলা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর পাল্টা অভিযান চলার কথা বলা হয়েছে।
ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে ঘোষিত লংমার্চকে কেন্দ্র করে পিটিআইয়ের ১ হাজার ৫০০-এর বেশি নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন বলে পাকিস্তানি গণমাধ্যমের বরাতে জানানো হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো গ্রেপ্তারকে মৌলিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার লঙ্ঘন বলেছে। পিটিআই ২৭ সেপ্টেম্বরের ইসলামাবাদ লংমার্চ স্থগিত করে ৪ অক্টোবর নতুন তারিখ ঘোষণা করেছে।
সন্ত্রাসী হামলা ও বিরোধী দমনে পাকিস্তানের রাজনৈতিক সংকট তীব্র
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।