চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় শিল্পায়নের নামে কৃষিজমি, ডোবা ও প্রাকৃতিক পানি নিষ্কাশনের পথ ভরাটের ঘটনা বাড়ছে। প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে স্থানীয়রা পরিবেশ বিপর্যয় ও ভবিষ্যৎ জলাবদ্ধতার আশঙ্কায় রয়েছেন। বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের মগপুকুর এলাকায় ‘অটোমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান প্রায় এক একর জলাশয় ভরাট শুরু করেছে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে কয়েকশ পরিবার উদ্বেগে দিন কাটাচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিকল্পনাহীন ও অবৈধ ভরাটের কারণে খাদ্য উৎপাদন হুমকির মুখে পড়ছে এবং সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে বসতবাড়ি, মসজিদ, বিদ্যালয় ও সড়ক অবকাঠামো ঝুঁকিতে পড়ছে। এক সাবেক ইউপি সদস্য জানান, অভিযোগ দেওয়ার পরও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি, বরং কোম্পানির লোকজন প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে। ভূমি ও পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলেন, অনুমতি ছাড়া কৃষিজমি বা জলাশয় ভরাট বেআইনি এবং সমন্বিত অভিযান জরুরি হলেও সীতাকুণ্ডে তেমন নজরদারি নেই।
প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, প্রমাণ পাওয়া গেলে ভরাট বন্ধ করা হবে। অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক দাবি করেন, অনুমতির প্রয়োজনীয়তা জানা ছিল না, প্রয়োজনে অনুমতি নেওয়া হবে।
সীতাকুণ্ডে কৃষিজমি ও জলাশয় ভরাটে জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।