১৪ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান চলমান যুদ্ধের অবসানে একটি রূপরেখায় সম্মত হয়। এতে হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা, লেবাননে বোমাবর্ষণ বন্ধ এবং হত্যাকাণ্ড বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শতাধিক দিন ধরে চলা এই যুদ্ধে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছে, যার মধ্যে ইরানের শীর্ষ নেতারাও রয়েছেন। যুদ্ধটি বৈশ্বিক অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করেছে। তবে পশ্চিম এশিয়ায় স্থায়ী শান্তির জন্য ‘গ্রেটার ইসরাইল’ মতবাদ পরিত্যাগের আহ্বান জানানো হয়েছে।
‘গ্রেটার ইসরাইল’ ধারণাটি ইসরাইলের সীমানা জর্ডান নদী থেকে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত করার চিন্তা প্রকাশ করে। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি এই মতবাদের সমর্থক। এই ধারণার কারণে ইরাক, গাজা, লেবানন, সিরিয়া ও ইরানে একের পর এক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। ইসরাইলি মন্ত্রীরা বেজালেল স্মোট্রিচ ও ইতামার বেন-গভির দখলকৃত ভূখণ্ড ছাড়ার বিরোধিতা করেছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থায়ী শান্তির জন্য ‘গ্রেটার ইসরাইল’ নীতি বন্ধ, গাজা ও ইরানে যুদ্ধ থামানো এবং ১৯৬৭ সালের সীমানা অনুযায়ী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন জরুরি। পাশাপাশি লেবানন ও সিরিয়া থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর ‘গ্রেটার ইসরাইল’ নীতি পরিত্যাগের আহ্বান
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।