দীর্ঘ আলোচনা ও বিতর্কের পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন ‘অ্যাসাইলাম ও মাইগ্রেশন প্যাক্ট’ ১২ জুন ২০২৬ থেকে সব সদস্যরাষ্ট্রে কার্যকর হয়েছে। এই সংস্কারের লক্ষ্য হলো ২০১৫ সালের মতো অনিয়মিত অভিবাসীদের চাপ মোকাবিলা, ইইউর বহিঃসীমান্তে নিয়ন্ত্রণ জোরদার এবং সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে দায়িত্ব ভাগাভাগির একটি ন্যায়সঙ্গত সংহতি ব্যবস্থা গঠন করা।
নতুন নিয়মে বৈধ ভিসা বা রেসিডেন্স পারমিট ছাড়া কেউ ইইউ সীমান্তে পৌঁছালে সরাসরি প্রবেশ করতে পারবে না। সাত দিনের মধ্যে তাদের পরিচয়, নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হবে। এরপর আবেদনকারীদের দুটি ট্র্যাকে ভাগ করা হবে—যাদের আশ্রয় পাওয়ার সম্ভাবনা কম বা নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে, তাদের আবেদন সীমান্তেই ১২ সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তি হবে; অন্যদিকে শক্ত ভিত্তির আবেদনকারীরা মূল ভূখণ্ডে প্রবেশের অনুমতি পাবেন, যা সর্বোচ্চ ২০ মাসে সম্পন্ন হতে পারে।
‘নিরাপদ তৃতীয় দেশ’ ধারণা সম্প্রসারিত হয়েছে, বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহের পরিধি ছয় বছর বয়সী শিশু পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশে পালিয়ে যাওয়া রোধে কঠোর নিয়ম আরোপ করা হয়েছে।
ইইউর নতুন অভিবাসন চুক্তি কার্যকর, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও আশ্রয় প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।